ক্রিকেট খেলায় ব্যবহৃত প্রযুক্তিভিত্তিক আম্পায়ার সিদ্ধান্ত
পর্যালোচনা পদ্ধতিই হচ্ছে ডিআরএস(ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম)।ডিআরএস এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে
-অন-ফিল্ড আম্পায়ার কর্তৃক ব্যাটসম্যানের আউটের ক্ষেত্রে এককভাবে গৃহীত বিতর্কিত
সিদ্ধান্তের পর্যালোচনা করা।২০০৮ সালে ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার মধ্যকার টেস্ট খেলায় প্রথম
এ পদ্ধতির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়। অতঃপর ২৪ নভেম্বর,২০০৯ তারিখে আন্তর্জাতিক
ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)
আনুষ্ঠানিকভাবে ডুনেডিনের ইউনিভার্সিটি ওভালে নিউজিল্যান্ড বনাম পাকিস্তানের মধ্যকার
সিরিজের প্রথম টেস্টে এ পদ্ধতির ব্যবহার ঘটায় ।
পরবর্তীতে জানুয়ারি,২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়ায় সফরকারী ইংল্যান্ডের মধ্যকার একদিনের
আন্তর্জাতিক (ওডিআই)
খেলায় প্রথম ব্যবহার করে।আপনাদেরকে আরও জানিয়ে রাখা ভাল শুরুতে আইসিসি সকল ধরনের
আন্তর্জাতিক খেলায় বাধ্যতামূলকভাবে ইউডিআরএস ব্যবহারের কথা জানায়।কিন্তু পরবর্তীতে
এটি ঐচ্ছিক হিসেবে ঘোষণা করে।কেবলমাত্র অংশগ্রহণকারী দলগুলোর
সম্মতিক্রমেই এ পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে।
তবে,আইসিসি এ প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবার কথা জানায় ও আইসিসির সকল ধরনের প্রতিযোগিতায় এর
ব্যবহারের চেষ্টা চালাচ্ছে অক্টোবর,২০১২ সালে আইসিসি এলবিডব্লিউর বিষয়ে বিধিমালা জারী করে। ব্যাটসম্যানের প্যাডে বলের আঘাতে অনিশ্চিত আকারে রূপরেখা বৃদ্ধিতেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
জুলাই, ২০১৬ সালে আবারো এ নিয়মের সংশোধনীর প্রয়োজন পড়ে।অনিশ্চিয়তার রূপরেখাকে
কমিয়ে আনা হয়।হালনাগাদকৃত নিয়ম-কানুন সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সালে আয়ারল্যান্ড বনাম
দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার ওডিআইয়ে প্রথম ব্যবহার করা হয়। সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সালে আইসিসি
জানায় যে,অক্টোবর,২০১৩ সাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এ পদ্ধতি শুরু হবে।টেস্ট খেলায় প্রতি
ইনিংসের ৮০ ওভার শেষে পুনরায় দুইটি আবেদনে ফিরে যেতে পারবে।পূর্বে প্রত্যেক দল প্রত্যেক
ইনিংসে সর্বাধিক দুইবার অসফলভাবে পর্যালোচনার আবেদন করার সুযোগ পেতো।
ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ তারিখে আইসিসি তাদের ভবিষ্যতের সকল আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় প্রত্যেক দলকে একবার পর্যালোচনা করার সুযোগ দেয়ার কথা জানায়।পূর্ব-নির্ধারিত প্রথম টি২০ প্রতিযোগিতা হিসেবে এ প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটবে ২০১৮ সালের আইসিসি মহিলা বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায়।২০১৭ সালের পাকিস্তান সুপার লীগের নক-আউট পর্বে এটি ব্যবহৃত হয়েছে যা প্রথমবারের মতো টি২০ লীগে ডিআরএস পদ্ধতির প্রয়োগ।
আশাকরি আজকের এই লেখাটির মাধ্যমে আপনারা ডিআরএস অর্থাৎ ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারনা পেরেছেন যা কিনা আপনাদের কে ম্যাচে কিছুটা হলেও কাজে দিবে ইনশাআল্লাহ।আপনাদের সকলের সুস্থতা কামনা করে আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। এতক্ষণ সময় নিয়ে লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক - ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সাইফুল ইসলাম।
বরাবরই ডিআরএস (ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম) নিয়ে বিতর্কিত মনোভাব প্রকাশ পায়,কিছুদিন আগে হয়ে যাওয়া টেস্ট চ্যাম্পিয়ন খেলায়ও ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহালি ডিআরএস এর ‘আম্পায়ার্স কল’প্রসঙ্গে আপত্তি জানায় সেইসাথে ‘আম্পায়ার্স কল’নিয়ম পরিবর্তন করতে......
ক্রিকেট খেলায় একজন বোলার বা প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড় অন্য দলের খেলোয়াড় বা ব্যাটসম্যানকে পিচ বা মাঠ থেকে বের করার বৈধ নিয়মকে আউট বলে। ক্রিকেট খেলায় একজন ব্যাটসম্যানকে ১১ ভাবে আউট করা যায়। নিম্নে আউট গুলো সম্পর্কে জানানো হলোঃ- .........
একজন নতুন ক্রিকেটার অথবা একজন মনোযোগী ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হলে আপনাকে অবশ্যই ক্রিকেট খেলার ফিল্ডিং পজিশন সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখতেই হবে।আপনাদেরকে জানিয়ে রাখা ভালো যে,ক্রিকেট খেলায় পুরো ফিল্ড কে দুইভাগে ভাগ...
পাওয়ারপ্লে দ্বারা সীমিত ওভার ক্রিকেটে মাঠে ফিল্ডার স্থাপনের ওপর আরোপিত সীমাবদ্ধতার নিয়মাবলিকে নির্দেশ করা হয়। ক্রিকেটে পাওয়ারপ্লে এর ইতিহাস অনেক আগের। ১৯৭০ এর দশক জুড়েই ফিল্ডিং সীমাবদ্ধতার বিবর্তন ঘটেছে, বিশেষ করে বিশ্ব সিরিজ.......
আপনারা হয়তো জেনে থাকবেন যে, স্পোর্টসের সাথে সাইন্সের একটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ক্রিকেটও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ক্রিকেট ও সাইন্স একে অপরের পরিপূরক। আমরা লক্ষ্য করলেই দেখবো ক্রিকেটে সাইন্সের ( বায়ো- মেকানিক্স, পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন ফর্মুলা.......