ক্রিকেট খেলায় ব্যবহৃত প্রযুক্তিভিত্তিক আম্পায়ার সিদ্ধান্ত
পর্যালোচনা পদ্ধতিই হচ্ছে ডিআরএস(ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম)।ডিআরএস এর মূল উদ্দেশ্য
হচ্ছে-অন-ফিল্ড আম্পায়ার কর্তৃক ব্যাটসম্যানের আউটের ক্ষেত্রে এককভাবে গৃহীত বিতর্কিত
সিদ্ধান্তের পর্যালোচনা করা।কিন্তু বরাবরই ডিআরএস(ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম) নিয়ে বিতর্কিত
মনোভাব প্রকাশ পায়, কিছুদিন আগে হয়ে যাওয়া টেস্ট চ্যাম্পিয়ন খেলায়ও ভারত অধিনায়ক বিরাট
কোহালিডিআরএস এর ‘আম্পায়ার্স
কল’প্রসঙ্গে আপত্তি জানায়।
সেইসাথে ‘আম্পায়ার্স কল’ নিয়ম পরিবর্তন করতে বলে।বিরাট কোহালির আপত্তি সত্ত্বেও
বিতর্কিত ‘আম্পায়ার্স কল’ রেখে দিল আইসিসি।তবে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করা হয়েছে, যার ফলে
বিতর্কের ঝড় শান্ত হলেও হতে পারে।ডিআরএস অর্থাৎ ‘ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম’-এর অংশ হিসেবে
থাকছে এই নিয়ম।আইসিসি-র এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে,‘‘ক্রিকেটে ভুল সিদ্ধান্ত না হওয়ার জন্যই
ডিআরএস প্রক্রিয়া আনা হয়েছে।একই সঙ্গে মাঠের আম্পায়ারের ক্ষমতা যাতে খর্ব না হয়, সেই
ব্যাপারটাও আমরা মাথায় রেখেছি।
সেই কারণেই আম্পায়ার্স কল রেখে দেওয়া হল।’’কী এই ‘আম্পায়ার্স কল’? এই নিয়ম প্রয়োগ করা হয় এলবিডব্লিউ আবেদনের ক্ষেত্রে। ধরা যাক কোনও ব্যাটসম্যানের বিরুদ্ধে এলবিডব্লিউ আবেদনে মাঠের আম্পায়ার ‘নট আউট’ রায় দিলেন।ফিল্ডিং দল ডিআরএস নিল।এ বার বলের গতিপথ বিচার করার প্রক্রিয়ায় (বল ট্র্যাকিং) যদি দেখা যায়, বলের অর্ধেকটা অফস্টাম্প বা লেগস্টাম্পের বাইরে পড়ছে, তা হলে টিভি আম্পায়ারকে মাঠের আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকেই বহাল রাখতে হবে।
অন্য ভাবে বললে, বলের অন্তত পঞ্চাশ শতাংশ স্টাম্পে আঘাত করতে হবে।তবেই টিভি আম্পায়ার
মাঠের আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে পাল্টাতে পারবেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, বল হয়তো শুধু
বেল ছুঁয়ে গেল।এ সব ক্ষেত্রে মাঠের আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত
‘নট আউট’ হলে ডিআরএস নিয়েও লাভ হবে না। যার ফলে এই নিয়মের সমালোচনায় মুখর অনেকেই। শেন
ওয়ার্ন বলেছেন,‘‘আমি বুঝি না কেন এই নিয়ম। বল উইকেটে যতটুকুই আঘাত করুক না কেন, সেটা
আউট হওয়া উচিত।’’কোহালিও একই দাবি জানিয়েছিলেন।সচিন টেন্ডুলকারও এই নিয়ম তুলে দেওয়ার
পক্ষে।
তবে আইসিসি জানিয়েছে, কিছু রদবদল করা হচ্ছে নিয়মে।এ বার থেকে এলবিডব্লিউ রিভিউয়ের ক্ষেত্রে বেলের উপরিভাগ পর্যন্ত উইকেটের উচ্চতাকে ধরা হবে। যাকে বলা হয় ‘উইকেট জ়োন’।আগে ‘উইকেট জ়োন’ ছিল বেলের নিম্নভাগ পর্যন্ত।এর ফলে বেল ছুঁয়ে গেলে মাঠের আম্পায়ারের ‘নট আউট’ সিদ্ধান্ত বহাল থাকত।এই পরিবর্তনের ফলে একটা সম্ভাবনা থাকছে যে, বেল স্পর্শ করে যাওয়া বলের ক্ষেত্রেও এলবিডব্লিউ আউট হতে পারে।
লেখক - ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সাইফুল ইসলাম।
পাওয়ারপ্লে দ্বারা সীমিত ওভার ক্রিকেটে মাঠে ফিল্ডার স্থাপনের ওপর আরোপিত সীমাবদ্ধতার নিয়মাবলিকে নির্দেশ করা হয়। ক্রিকেটে পাওয়ারপ্লে এর ইতিহাস অনেক আগের। ১৯৭০ এর দশক জুড়েই ফিল্ডিং সীমাবদ্ধতার বিবর্তন ঘটেছে, বিশেষ করে বিশ্ব সিরিজ.......
ক্রিকেট খেলায় ব্যবহৃত প্রযুক্তিভিত্তিক আম্পায়ার সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা পদ্ধতিই হচ্ছে ডিআরএস (ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম)। ডিআরএস এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে -অন-ফিল্ড আম্পায়ার কর্তৃক ব্যাটসম্যানের আউটের ক্ষেত্রে এককভাবে গৃহীত বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পর্যালোচনা করা......
একজন নতুন ক্রিকেটার অথবা একজন মনোযোগী ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হলে আপনাকে অবশ্যই ক্রিকেট খেলার ফিল্ডিং পজিশন সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখতেই হবে।আপনাদেরকে জানিয়ে রাখা ভালো যে,ক্রিকেট খেলায় পুরো ফিল্ড কে দুইভাগে ভাগ...
ক্রিকেট খেলায় একজন বোলার বা প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড় অন্য দলের খেলোয়াড় বা ব্যাটসম্যানকে পিচ বা মাঠ থেকে বের করার বৈধ নিয়মকে আউট বলে।ক্রিকেট খেলায় একজন ব্যাটসম্যানকে ১১ ভাবে আউট করা যায়। নিম্নে আউট গুলো সম্পর্কে জানানো হলোঃ- .........
আপনারা হয়তো জেনে থাকবেন যে, স্পোর্টসের সাথে সাইন্সের একটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ক্রিকেটও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ক্রিকেট ও সাইন্স একে অপরের পরিপূরক। আমরা লক্ষ্য করলেই দেখবো ক্রিকেটে সাইন্সের ( বায়ো- মেকানিক্স, পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন ফর্মুলা.......