বর্তমান বিশ্বের জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা খেলাগুলোর মধ্যে ক্রিকেট একটি। জনপ্রিয় এই ক্রিকেট খেলার পথচলা শুরু হয় ইংল্যান্ডের হাত ধরে অষ্টাদশ শতাব্দীতে।যা কিনা উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীতে পুরো বিশ্বেই পরিচিতি লাভ করে।
১৮৪৪ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা শুরু হলেও ইতিহাস স্বীকৃত প্রথম টেস্ট ক্রিকেট
ম্যাচ খেলা শুরু হয় ১৮৭৭ সালে।তখন থেকেই ব্যাটাররা ক্রিকেট পাড়ায় রাজত্ব করতে এবং
বোলারদেরকে শাসন করতে ব্যাটের সহায়তা নিয়ে থাকেন।
ক্রিকেটের লিজেন্ড খ্যাত স্যার ডন ব্র্যাডম্যান থেকে শুরু করে সচিন টেন্ডুলকার, মোহাম্মাদ আশরাফুল, আধুনিক ক্রিকেটের বিরাট কোহলি, বাবার আজম সকলেই নামিদামি ব্র্যান্ডের ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে খেলে একের পর এক রেকর্ড গড়েছেন।ক্রিকেট খেলায় একজন ব্যাটার ব্যাট হাতে কতটা ভয়ংকর হতে পারে তা কেবল বিপক্ষ দলের বোলাররাই ভালো জানে।তাছাড়া ক্রিকেট পাড়ায় ক্রিকেট ব্যাট সম্পর্কে করা প্রিন্স ফিলিপ্সের করা উদ্ধৃতি খুবই সমৃদ্ধ।যেখানে তিনি বলেন- “এ গান ইজ নো মোর ডেঞ্জারাস দ্যান এ ক্রিকেট ব্যাট ইন দ্যা
হ্যান্ড অব এ ম্যাডম্যান” - প্রিন্স ফিলিপ্স।
পাড়ার ক্রিকেট থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সব জায়গাতেই ব্যবহার হয়ে থাকা এই
ক্রিকেট ব্যাট ক্রিকেট খেলার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।আপনি নিজেও ক্রিকেট খেলতে গিয়ে
ক্রিকেট খেলার এই অবিচ্ছেদ্য অংশ ক্রিকেট ব্যাট ব্যবহার করেছেন।কিন্তু আপনি কি জানেন
একটি আদর্শ ব্যাট কয়টি মৌলিক অংশ নিয়ে গঠিত হয়ে থাকে? কিংবা ব্যাট কেনার ক্ষেত্রে
ব্যাটের কোন কোন অংশগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে?
একজন ক্রিকেট প্লেয়ার হিসেবে এই বিষয়গুলো জানা আপনার জন্য অবশ্যই দরকার। তাহলে কথা না বাড়িয়ে চলুন জেনে নেওয়া যাক –
একটি আদর্শ ব্যাটে সাধারণত ৩টি সাইড থাকে।যথাক্রমে ফ্রন্ট সাইড, প্রোফাইল এবং ব্যাক সাইড।ব্যাটের এই ৩টি অংশকে আবার ২টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে যেমন, হ্যান্ডেল এবং ব্লেড।
ব্যাটের সামনের পুরো অংশটুকু কে বলা হয় ফ্রন্ট সাইড।ফ্রন্ট সাইডে যথাক্রমে রয়েছে (ফেস ও সুইট স্পট) এবং ব্যাটের পেছনের পুরো অংশটুকুকে বলা হয় ব্যাক সাইড। ব্যাক সাইডে যথাক্রমে রয়েছে (স্পাইন, সপ্লাইস ও সওয়েল)।ব্যাটের মাঝামাঝি ২ পাশের পুরো অংশটুকু কে বলা হয় প্রোফাইল।প্রোফাইলে যথাক্রমে রয়েছে (শোল্ডার, এডজ ও টো)।এছাড়াও ব্যাটে আরো কিছু অংশ রয়েছে যেমন – গ্রিপ,বোউ ও গ্র্যান্স।
ক্রিকেট ব্যাটের এই অংশগুলোই একটি সাধারন ব্যাটকেও অসাধারন করে তুলে।যে ব্যাটের মৌলিক এই অংশগুলো যত ভালো হয়ে থাকে সে ব্যাট তত বেশি দামি হয়ে থাকে এমনকি ক্রিকেট পাড়ায় তার চাহিদাও থাকে অনেক বেশি। তাই ব্যাট কেনার ক্ষেত্রে উল্লিখিত অংশগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখলেই আপনি একটি আদর্শ ব্যাট কিনতে পারবেন।
লেখক - ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সাইফুল ইসলাম।
পাওয়ারপ্লে দ্বারা সীমিত ওভার ক্রিকেটে মাঠে ফিল্ডার স্থাপনের ওপর আরোপিত সীমাবদ্ধতার নিয়মাবলিকে নির্দেশ করা হয়। ক্রিকেটে পাওয়ারপ্লে এর ইতিহাস অনেক আগের। ১৯৭০ এর দশক জুড়েই ফিল্ডিং সীমাবদ্ধতার বিবর্তন ঘটেছে, বিশেষ করে বিশ্ব সিরিজ.......
ক্রিকেট খেলায় ব্যবহৃত প্রযুক্তিভিত্তিক আম্পায়ার সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা পদ্ধতিই হচ্ছে ডিআরএস (ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম)। ডিআরএস এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে -অন-ফিল্ড আম্পায়ার কর্তৃক ব্যাটসম্যানের আউটের ক্ষেত্রে এককভাবে গৃহীত বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পর্যালোচনা করা......
একজন নতুন ক্রিকেটার অথবা একজন মনোযোগী ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হলে আপনাকে অবশ্যই ক্রিকেট খেলার ফিল্ডিং পজিশন সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখতেই হবে।আপনাদেরকে জানিয়ে রাখা ভালো যে,ক্রিকেট খেলায় পুরো ফিল্ড কে দুইভাগে ভাগ...
ক্রিকেট খেলায় একজন বোলার বা প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড় অন্য দলের খেলোয়াড় বা ব্যাটসম্যানকে পিচ বা মাঠ থেকে বের করার বৈধ নিয়মকে আউট বলে।ক্রিকেট খেলায় একজন ব্যাটসম্যানকে ১১ ভাবে আউট করা যায়। নিম্নে আউট গুলো সম্পর্কে জানানো হলোঃ- .........
আপনারা হয়তো জেনে থাকবেন যে, স্পোর্টসের সাথে সাইন্সের একটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ক্রিকেটও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ক্রিকেট ও সাইন্স একে অপরের পরিপূরক। আমরা লক্ষ্য করলেই দেখবো ক্রিকেটে সাইন্সের ( বায়ো- মেকানিক্স, পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন ফর্মুলা.......